গাজায় ইসরায়েলের তীব্র হামলা ও মানবিক সংকট:
গত ২৪ ঘণ্টায় ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডের গাজা সিটিতে ইসরায়েলের ব্যাপক বিমান হামলায় অন্তত ৫১ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ছয় বছর বয়সী যমজ শিশু এবং তিনজন সাংবাদিকও রয়েছেন। ইসরায়েলি হামলায় লাখ লাখ মানুষ শহর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হচ্ছেন। ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে মানবাধিকার বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ র্যাপোর্টার ফ্রান্সেসকা আলবানিজে অভিযোগ করেছেন যে, ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক উৎখাত করতে ইসরায়েল অপ্রচলিত অস্ত্র ব্যবহার করছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৩ মাস ধরে চলা এই যুদ্ধে এ পর্যন্ত অন্তত ৬৪ হাজার ৯০৫ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং ১ লাখ ৬৪ হাজার ৯২৬ জন আহত হয়েছেন।
মধ্যপ্রাচ্যে ইসলামিক সামরিক জোটের আহ্বান:
কাতারে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক বিমান হামলা নিয়ে ওয়াশিংটন উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, যা গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করতে পারে। এই হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শিয়া আল সুদানি মুসলিম দেশগুলোর আত্মরক্ষার জন্য যৌথ সামরিক বাহিনী গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সতর্ক করেছেন যে ইসরায়েলি আগ্রাসন কাতারে থেমে থাকবে না এবং এর প্রভাব গোটা অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়বে। এই বক্তব্য দোহায় আসন্ন আরব-ইসলামিক সম্মেলনের প্রেক্ষাপটে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
নেপালে রাজনৈতিক অস্থিরতা:
নেপালে নতুন অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কির বিরুদ্ধে "জেন-জি" নামক তরুণ প্রজন্মের বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। আন্দোলনকারীরা সুশীলা কার্কির পদত্যাগ দাবি করছে এবং অভিযোগ করছে যে তিনি মন্ত্রিসভা গঠনের ক্ষেত্রে তাদের সঙ্গে পরামর্শ করেননি। সম্প্রতি আন্দোলন থেকে ছড়িয়ে পড়া সহিংসতায় নিহতদের পরিবারকে ১৫ লাখ রুপি করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
রাশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে উত্তেজনা:
রাশিয়া ইউরোপীয় দেশগুলোকে সতর্ক করেছে যে, যদি কোনো দেশ রাশিয়ার সম্পদ জব্দ করার চেষ্টা করে, তবে মস্কো সেই দেশের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেবে। এই সতর্কবাণী এমন সময়ে এসেছে যখন ইউরোপীয় দেশগুলো রাশিয়ার সম্পদ নিয়ে পদক্ষেপের কথা ভাবছে।
মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির চ্যালেঞ্জ ও ট্রাম্পের ঘোষণা:
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কূটনীতির সামনে ইসরায়েল ও রাশিয়ার পদক্ষেপের কারণে দুটি বড় চ্যালেঞ্জ দেখা দিয়েছে। এছাড়া, ট্রাম্প ওয়াশিংটন ডিসিতে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং শহরটিকে ফেডারেল নিয়ন্ত্রণে আনার কথা বলেছেন।